মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটে এলপিজি ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। নবীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত দিনারপুরে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চলছে পাহাড় কাটার মহোৎসব সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগীতা করা হবে– প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন মাধবপুরে শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন চারতলা ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন বিজিবির অভিযানে ৯ মাসে ৯৩১ কোটি টাকার চোরাচালান জব্দ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর চাপ ডিসিপি হাই স্কুলে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছেন সভাপতি নাজিম উদ্দিন শামসু হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও ০১ বোতল বিদেশী মদসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

নিষিদ্ধ গাইড ও গ্রামার বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৪৮ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট: মির্জাপুরে সরকারি নিষেধ অমান্য করে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির প্রভাবশালী নেতারা সিন্ডিকেট করে নিষিদ্ধ গাইড বই ও গ্রামার বই দিয়ে ‘বুক লিস্ট’ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, এই লিস্ট অনুসারে উপজেলার ৫৪টি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তারা অভিযোগ করেছেন, বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের পরই এ ধরনের লিস্ট করা হয়ে থাকে।

উল্লেখ করা যেতে পারে, সরকার বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দেয়। সরকারিভাবেই গাউড বই কেনা নিষিদ্ধ। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে আমলে না নিয়ে বছরের পর বছর সমিতি এমনটি করে যাচ্ছে।

বইয়ের দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাইড ও গ্রামার বইয়ের দাম অনেক বেশি। বলা বাহুল্য, এগুলো কিনতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কষ্ট হয়। অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে এগুলো কেনাও সম্ভব হয় না। শিক্ষকদের তিরস্কার এড়াতে এদের অনেকেই স্কুলে আসাই বন্ধ করে দেয়।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭ম শ্রেণির ছাত্র আসিকুর রহমান ও ৯ম শ্রেণির ছাত্রী লতা আক্তার এবং অভিভাবকদের মধ্যে কৃষক আলী আজম ও আতাউল গনি অভিযোগ করেন, সমিতির নেতা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাপের মুখে পাঞ্জেরী বুক কোম্পানির গাইড বই ও গ্রামার কিনতে তারা বাধ্য হচ্ছেন। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এমরান হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রতি বছর সমিতির মাধ্যমে পাঠ্য তালিকা করা হয়। এ বছরও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে গাইড বই ও গ্রামার পাঠ্য করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. হারুন অর রশিদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, সরকারি বিনামূল্যের বইসহ গ্রামার শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন বুক কোম্পানির নিষিদ্ধ গাইড বই ও গ্রামার পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। যদি শিক্ষক সমিতি এমন করে থাকে তবে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com