বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিজিবির অভিযানে ৭৮ লাখ টাকার কসমেটিকস ও জিরা জব্দ সুরমা চা বাগানে তলব বন্ধ: মানবিক সংকটে শ্রমিকরা, পাশে দাঁড়ালেন এমপি পুত্র সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। বিএনপি শুধু সংস্কার চায় না, এর বাস্তবায়ন ও করবে: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রী মাধবপুরে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, তেল লুটপাট করতে স্থানীয়দের ভিড় সীমান্তে বিজিবির টানা অভিযানে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি হবিগঞ্জে তারেক রহমানের ঈদ উপহার পেলেন যুবদল নেতাকর্মী ও শহীদ পরিবার সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে দুই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৭০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার। শায়েস্তাগঞ্জে হেডফোনে গান শুনে পথ চলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় নারী নিহত সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা ও ০৫ বোতল মদ উদ্ধার

শহরতলীর আলম বাজারে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১২৬ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরতলীর আলম বাজারে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা আহাদ মিয়া ও বিএনপি নেতা তারা মিয়া দলের মধ্যে শহরতলীর আলম বাজারে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহতরে মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ বেশ কয়েকজন কে ঢাকা ও সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে। গতকাল রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।আলম বাজারে স্ট্যান্ডটি আওয়ামীলীগ আমলে আওয়ামীলীগ নেতা আহাদ মিয়া ও ভাই আশিক মিয়ার দখলে ছিল। এ স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী সিএনজি, টমটম, ম্যাক্সি, জীপ থেকে চাঁদা উত্তোলন করা হয়। আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ঘটনায় সংঘর্ষে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা আহাদ মিয়া, তার ভাই আশিক মিয়া, ভাতিজা ডিপজল সহ অনেকেই আসামী ভূক্ত হয়। এর পর আহাদ মিয়া ঢাকা থেকে গ্রেফতার হলেও অন্যান্যরা আত্মগোপনে চলে যায়। গতকাল সন্ধ্যায় এরা স্ট্যান্ডটি পুনরায় দখল করতে আসলে বিএনপি নেতা তারা মিয়ার ভাই সুরুজ আলী বাধা প্রদান করেন। এ সময় তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংগর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে ছুড়লে অনেকে প্রাণভয়ে মসজিদে গিয়ে আত্মরক্ষা করে। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে চোখে গুলিবিদ্ধ মোতালিব মিয়াকে ঢাকায় এবং টেঁটা ও গুলিবিদ্ধ রুবেল মিয়া (৩০), নাসির মিয়া সহ ২০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গুরুতর আহত সুরুজ আলী, জাহাঙ্গীর, নাজিম, কবির, সুহেল, বাতির মিয়া, রইছ মিয়া, মুহিবুল, কবির-২, জয় মিয়া, ইকবাল মিয়া, আশিক মিয়া, আহমদ তালুকদার, ইসমাইল, ফরিদ মিয়া, আরিফ, ধন মিয়া, জাহির মিয়া, তন্নি, সামিউল, তাজুল, ফরিদ-২, রুবেল ও কাসেম কে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বানিয়াচং থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকা শান্ত রয়েছে। তিনি জানান, নয়া পাথারিয়া গ্রামটি হবিগঞ্জ শহরতলীতে। বানিয়াচং থানা থেকে গ্রামটি অনেক দূরে হওয়ায় আসামীদের ধরা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ যাওয়ার খবর পেলেই তারা পালিয়ে যায়। তবে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com