শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাট পৌরশহরে বিপণিবিতানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ৫ জনকে জরিমানা চুনারুঘাটের উলুকান্দি গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী সহ আহত ৪ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবহন শ্রমিকসহ ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ডিসির- মানবিক সহায়তা চুনারুঘাটে পরিবহন শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার প্রদান চুনারুঘাট উপজেলা চেয়ারম্যানের বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ প্রকাশিত সংবাদের তৃষ্ণা আক্তারের প্রতিবাদ চুনারুঘাটে বিভিন্ন মামলায় ৮ জন পলাতক আসামী গ্রেফতার ৪ দিনে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ ৫২৩ জনকে জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা মাধবপুরে প্রায় ৪ হাজার ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক নবীগঞ্জে ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

হবিগঞ্জে পরকীয়ার জেরে নিজ সন্তানকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করলো মা

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ বার পঠিত

নুর উদ্দিন সুমন : পরকীয়ার পথের কাটা ৩ সন্তানকে বিষ পানে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল পাষন্ড মা ফাহিমা খাতুন (২৮)। তিনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চারিনাও গ্রামের টমটম চালক সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। পরিকল্পনানুযায়ী পাষন্ড মায়ের বিষ মেশানো জুস পান করে এক শিশু প্রাণ হারায়। ভাগ্যক্রমে প্রানে বেচে যায় ২শিশু। ১ ডিসেম্বর বিকেলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিতে পাষন্ড মা ফাহিমা শিশু হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় গতকাল রাতে প্রেস ব্রিফিং করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম। আদালতের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ওই গ্রামের টমটম চালক সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী ফাহিমা তার স্বামী অভাব অনটনের কারণে প্রাণ কোম্পানীতে চাকরি করতো। ফাহিমার স্বামীর অভাব অনটনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে সে পাশের বাড়ির বিত্তশালী আকতারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। তাদের এ অবৈধ সম্পর্ককে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে তারা দেখে যে তাদের পথের কাটা হচ্ছে ৩ সন্তান। তাই আক্তার ও ফাহিমা মিলে ৩ সন্তানকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনানুযায়ী ২০১৯ সালের ১৭ অক্টোবর প্রেমিক আকতার বিষ কিনে এনে ফাহিমাকে দেয়। পরের দিন শুক্রবার দুপুরে সেই বিষ ফাহিমা জুসের সাথে মিশিয়ে তার তিন অবুঝ শিশুকে পান করায়। বিষক্রিয়া তারা ছটফট করতে থাকলে ওই দিন সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে তার ৩য় সন্তান সাথী আক্তার (৬) কে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। অপর দুই শিশু সন্তান তোফাজ্জল ইসলাম (১০) ও রবিউল ইসলাম (৭) কে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সৌভাগ্যক্রমে ওই দুই শিশু প্রাণে বেঁচে যায়।

এরপর তারা সকলেই স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে থাকে। এদিকে কিছুদিন যাবার পর আক্তার হোসেন ও ফাহিমার প্রেমের সম্পর্কটি এলাকায় প্রকাশ হতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা শুরু হয়। এতে ফাহিমার স্বামীর সন্দেহ বাড়তে থাকলে সে নিশ্চিত হয় ফাহিমা ও আকতার মিলিতভাবেই তার শিশু সন্তানকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় সিরাজ বাদি হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা হলে সদর ওসি ফাহিমাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে সে প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ওসি মাসুক আলী, ইন্সপেক্টর (অপারেশন) দৌস মোহাম্মদ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: নাজমুল হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com