বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটের অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক ড.সরফরাজ শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে ২০(বিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার, গ্রেফতার-০২ হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ০১ জন আসামীসহ ভারতীয় ইয়াবা ও ব্যাটারিচালিত অটো গাড়ি আটক* চানপুর চা বাগানে শ্রমজীবী মানুষের সেবায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধন চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ॥ ফজলুর রহমান চৌধুরী সভাপতি মঈন চৌধুরী সোহেল সম্পাদক নির্বাচিত হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণ তদারকিতে খাদ্য বিভাগ হবিগঞ্জের সুঘর গ্রামের বানবাসীদের মাঝে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র ত্রাণসামগ্রী বিতরণ পানি সংকটে সাতছড়ির বন্যপ্রাণী, জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিলেন চীফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার আসামি কাউসার গ্রেপ্তার

ছয় মাসে দুই লাখ নতুন করদাতা পাওয়া গেছে, গ্রামাঞ্চলেও যাচ্ছেন এনবিআর কর্মকর্তারা

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২ মার্চ, ২০১৯
  • ৫২৯ বার পঠিত

প্রথম সেবা ডেস্কঃ দেশব্যাপী নতুন করদাতা বাড়াতে রাজধানী ঢাকাসহ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অগ্রসরমান এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এছাড়া গ্রামাঞ্চলেও যাওয়া শুরু করেছেন কর কর্মকর্তারা। এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে নতুন করে সাত লাখ ব্যক্তিকে করের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে কর বিভাগ। অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে নতুন ২ লাখ করদাতার সন্ধান পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, করদাতা খুঁজতে সেকেন্ডারি সোর্সকে কাজে লাগাচ্ছে এনবিআর। এর অংশ হিসেবে বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ), বিদ্যুত্ ও গ্যাস বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ, ভুমি নিবন্ধন অফিসসহ এ ধরণের অন্যান্য সূত্র থেকে তথ্য নিচ্ছে কর বিভাগ। জানা গেছে, এ প্রক্রিয়ায় গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে করের আওতায় আনতে পেরেছে। এ প্রক্রিয়াকে আরো জোরদার করতে সিটি কর্পোরেশনের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। সিটি কর্পোরেশনের কাছে থাকা তথ্য ভান্ডার পরীক্ষা করে নতুন করদাতা চিহ্নিত করতে চায় এনবিআর। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা হয়েছে এনবিআর কর্মকর্তাদের।

এনবিআরের একজন ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, নিয়মিত দাপ্তরিক কাজের কারনে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যকরভাবে জরিপ কাজে পাঠানো যাচ্ছে না। কেননা মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোতে লোকবল সংকট রয়েছে। তবে সেকেন্ডারি সোর্স ব্যবহার করে নতুন করদাতা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে বড় সফলতা পাওয়া যাচ্ছে। যেমন বিআরটিএ’র কাছে সব গাড়ির মালিকের তথ্য রয়েছে। আমরা সেখান থেকে তথ্য নিয়ে যাচাই-বাছাই করতে পারছি। নতুন করে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। আশা করছি সিটি কর্পোরেশনের কাছে থাকা তথ্য ব্যবহার করে করযোগ্য অনেককেই করের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

সূত্র জানিয়েছে, এর বাইরে কোম্পানি করদাতাদের করফাঁকি ধরতে আকস্মিক অডিট কার্যক্রমও শুরু করেছে কর বিভাগ। গত মাস থেকে এ কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের উেস কর ফাঁকি ধরা সম্ভব হয়েছে।

এনবিআরের হিসাবে, বর্তমানে দেশে কর সনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ই-টিআইএন) সংখ্যা ৩৬ লাখের কিছু বেশি। এর মধ্যে গত তিন বছরেই নতুন করে করের খাতায় নাম লিখিয়েছেন ১৫ লাখের উপরে। এর মধ্যে বেশিরভাগই চাকরিজীবী। করযোগ্যদের করের আওতায় আনতে গত তিন বছরে সরকার বাজেটে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে টিআইএনধারী বেড়েছে। তবে সরকার মনে করছে, ১৬ কোটি মানুষের দেশে কর দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে অন্তত এক কোটি মানুষের। যদিও এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোন পরিসংখ্যান কিংবা গবেষণা নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন এইডের হিসাবে, দেশে বর্তমানে কর দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন প্রায় ৬০ লাখ মানুষ।
সৌজন্যেঃ ইত্তেফাক

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com