সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তেলিয়াপাড়া চা বাগানে চা শ্রমিকদের বিক্ষোভ, দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণসহ চার দফা দাবি মাধবপুরে কিশোরীর মৃত্যুকে ঘিরে ধর্ষণ-হত্যার অভিযোগ, ২৮ দিনেও মামলা হয়নি চুনারুঘাটে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে ডা. কামরুল হাসান সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে বিরোধ নিয়ে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন

চুনারুঘাটে ক্যান্সার আক্রান্ত মুসলিম তরুণীকে রক্ত দিলেন ইউএনও সত্যজিত রায় দাশ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৪২০ বার পঠিত

নুর উদ্দিন সুমন : জেলার চুনারুঘাটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সত্যজিত রায় দাশ করোনা ভাইরাসের অধিক সংক্রমণের সময়ে ঝুঁকি নিয়ে মুমূর্ষ ক্যান্সার আক্রান্ত মুসলিম তরুণীকে রক্ত দিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সত্যজিত রায় দাশ।(২৬ জুলাই ) জবা নামের ক্যান্সারে আক্রান্ত কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীকে রক্ত দেন তিনি। জানা যায়, চুনারুঘাটে পৌর এলাকার আমকান্দি গ্রামের আমির আলীর কন্যা ও শায়েস্তাগঞ্জ নর্থইস্ট আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী জবা আক্তার চার বছর ধরে বোনমেরু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে রক্তশূন্যতায় ভুগছিল। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চুনারুঘাটের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোস্তাক আহমেদ বাহার মানবিক সাহায্যের আবেদন করনে। আবেদনের বিষয়টি ইউএনওর নজরে আসে প্রথমে তিনি জবাকে ১০হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এর পর তিনি জবাকে সরকারি বরাদ্দকৃত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ঘরের জন্য টিন ও নগদ অর্থের ব্যবস্থা করেন। সর্বশেষ তিনি স্থানীয় এক স্বাস্থ্য বিষয়ক এর উদ্যোগে জবাকে শ্রেষ্ঠ উপহার নিজের রক্ত দান করেন মানবিক(ইউএনও) সত্যজিত রায় দাশ। তিনি জানান সাধারণত বোনমেরু রোগে আক্রান্তদের শরীরে হিমোগ্লোবিন হঠাত করেই কমে যায়। দুই তিন দিন পর পর রক্ত দিতে হয়। তখন দ্রুত রক্ত দিতে না পারলে জীবন বিপন্ন হওয়ার শঙ্কা থাকে। একজন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে রক্ত দিতে পেরে নিজেকে আজ ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। জবা বর্তমানে সিলেটের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসক এম এ খান এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com