মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলছে ভারী যানবাহন দেশ স্বাধীন হলেও গোলগাঁও বাসী এখনও পরাধীন সাতছড়ি ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দারা আতঙ্কে \ পাহাড়ী ঢলে ধ্বসে পড়ছে টিলা বাহুবলে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ মাধবপুরে বাস চাপায় শিশুর মৃত্যু চুনারুঘাটে ৬ বছরের ব্যবধানে দুই ভাইকে হত্যা ॥ গ্রেপ্তার ৩ ঈদ উল আযহা উপলক্ষে পৌর এলাকার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা প্রদান বানিয়াচং হাসপাতালে অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন চুনারুঘাটে চেয়ারম্যান পদে সৈয়দ লিয়াকত হাসানের চমক ॥ কাইয়ূম ও খাইরুন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ

কর্মসৃজনের আত্মসাতের ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার ২১ শ্রমিককে বুঝিয়ে দিলেন শায়েস্তাগঞ্জের ইউএনও

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ২৮২ বার পঠিত

নুর উদ্দিন সুমন: হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নূরপুর ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুল হাসিম জারু কর্তৃক কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজের আত্মসাতের প্রায় ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে সুমী আক্তার। সোমবার (৬জুলাই) বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমী আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে দুপুরে নুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২০১৯-২০ অর্থবছরে অতিদরিদ্রদের জন্য ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (কর্মসৃজন) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজের মজুরি নিতে শায়েস্তাগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখায় আসেন প্রায় ৯০ জন (নারী ও পুরুষ) শ্রমিক। এক পর্যায়ে এ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা নূরপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল হাসিম জারু মিয়া ২১ জনের টিপসই নিয়ে ব্যাংকের ক্যাশিয়ারের কাছে দেন। ক্যাশিয়ার প্রতি শ্রমিককে ৭ হাজার ৮০০ টাকা দেওয়া শুরু করেন। কিন্তু এ টাকা শ্রমিকের হাতে যাওয়ার আগে মেম্বার জারু গ্রহণ করেন। তিনি (মেম্বার) প্রত্যেক শ্রমিকের কাউকে তিন হাজার, কাউকে চার হাজার আবার কাউকে দুই হাজার দিয়ে বাকী টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি শ্রমিকরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবালকে জানান। একই সাথে এক খবর চলে যায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের কাছে। তাৎক্ষণিক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল ঘটনাস্থলে পাঠান ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গাজীউর রহমান ইমরানকে। তিনি গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে ইউএনও সুমী আক্তার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে আত্মসাতকৃত টাকা গোপনে ব্যাংকে পাঠান মেম্বার আব্দুল হাসিম জারু মিয়া। এছাড়া থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বেও একদল পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে এসে ভূমিকা পালন করে। পরে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গাজীউর রহমান ইমরানের উপস্থিতিতে ব্যাংকের এক কর্মচারী উদ্ধার হওয়া টাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী আক্তারের কাছে নিয়ে যান। তাৎক্ষণিক উদ্ধারকৃত টাকা ইউএনও সুমী আক্তার ২১ শ্রমিককে বুঝিয়ে দেন। একই সাথে বাকী শ্রমিকদের জনপ্রতি ৭ হাজার ৮০০ টাকাকরে প্রদান করা হয়েছে সোনালী ব্যাংক শায়েস্তাগঞ্জ শাখা থেকে। এ ঘটনায় নারী শ্রমিক আমেনা খাতুন বাদী হয়ে বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ইউএনও সুমি আক্তার বলেন, বিষয়টি জানার পর শ্রমিকদের টাকা উদ্ধার করে দিয়েছি, এবং অভিযুক্ত মেম্বারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com