স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট বিভাগের জনপ্রিয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ধামালি চুনারুঘাট’-এর পক্ষ থেকে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মামুনুর রশীদ চৌধুরীকে শুভেচ্ছা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) সংগঠনের সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও লোকসংস্কৃতি সংগ্রাহক অ্যাডভোকেট মোস্তাক আহাম্মদ বাহারের বাসভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ধামালি চুনারুঘাটের বিপুলসংখ্যক কর্মী ও ধামাইল শিল্পী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আসন্ন ২৬ মে ‘জাতীয় ধামাইল দিবস’ বিশেষভাবে উদযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ উপলক্ষে দিবসটির জাতীয় স্বীকৃতি আদায়ে চলমান গণস্বাক্ষর কর্মসূচিকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, লন্ডন ট্রাডিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং দুইবারের কুইন্স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত মামুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন,
“ধামালি চুনারুঘাট যেভাবে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, আমার জানা মতে আর কোনো সংগঠন এভাবে কাজ করছে না। আমি আশাবাদী, অচিরেই এই সংগঠন দেশের সর্বস্তরের মানুষের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোস্তাক আহাম্মদ বাহার বলেন, “আমরা আশা করছি আগামী ধামাইল দিবসের আগে দুই দিনব্যাপী একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করব। একই সঙ্গে জাতীয় ধামাইল দিবস ঘোষণার দাবিতে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে পুনরায় স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে।” এ সময় সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিব শিমু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক দিতি দাস, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্পাদক অনামিকা দেব মৌসহ কার্যনির্বাহী কমিটির একাধিক সদস্য, কণ্ঠশিল্পী ও নৃত্যশিল্পী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৮ মে ‘ধামালি চুনারুঘাট’-এর পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো ২৬ মে-কে ‘জাতীয় ধামাইল দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবিতে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি ধামাইল সংগ্রাহক ও পৃষ্ঠপোষক অ্যাডভোকেট মোস্তাক আহাম্মদ বাহারের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
রাধারমনের জন্মদিন উপলক্ষে ২৬ মে দিনটি পালিত হয়ে আসছে বিধায় ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ধামাইল দিবসের পাশাপাশি ‘রাধারমন স্মরণ দিবস’ও পালন করে আসছে সংগঠনটি। ‘ধামালি চুনারুঘাট’-এর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং ব্যক্তি উদ্যোগে এই দিবস পালন করা হয়।
Leave a Reply