স্টাফ রিপোর্টার : সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর অধীনস্থ চিমটিবিল ও সাতছড়ি বিওপির টহলদল কর্তৃক গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক পৃথক চোরাচালান ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে ৪৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও ০১ বোতল ভারতীয় বিয়ারসহ ০১ জন আসামী আটক করা হয়। আটককৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য সর্বমোট ১,৮২,২৫০/- (এক লক্ষ বিরাশি হাজার দুইশত পঞ্চাশ) টাকা।
*বিজিবি’র সূত্রে জানা যায়*, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টায় হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর অধীনস্থ চিমটিবিল বিওপি কর্তৃক চুনারুঘাট উপজেলার আমু চা-বাগানের ১২নং সেকশন নামক স্থানে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে ০১ জন আসামীসহ ৩৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা এবং ০১ বোতল ভারতীয় বিয়ার আটক করা হয়।
*আটককৃত আসামী:*
*নাম- উজ্জল বাড়াই (৩০), পিতা- মৃত বালক বাড়াই, গ্রাম- আমু চা-বাগান (পুরান লাইন), ডাকঘর- চান্দপুর, থানা- চুনারুঘাট, জেলা- হবিগঞ্জ।*
*অপরদিকে*, গত ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর অধীনস্থ সাতছড়ি বিওপি’র টহলদল কর্তৃক হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলাধীন সুন্দরটিলা নামক স্থানে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ০৫ কেজি ভারতীয় গাঁজা এবং একই তারিখে সন্ধ্যা ৬টার সময় সাতছড়ি বিওপি’র টহলদল কর্তৃক হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলাধীন গাঢ়োটিলা নামক স্থানে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ০৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
*আটককৃত মাদকদ্রব্য এবং আসামীর বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়েরপূর্বক চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।*
*মাদকদ্রব্য আটকের বিষয়ে ৫৫ বিজিবি’র কর্তৃপক্ষ জানায়*, সীমান্ত সুরক্ষা, মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশ রোধ এবং চোরাচালান দমনে বিজিবি নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সীমান্ত এলাকায় টহল কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। দেশের নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষায় সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি’র কঠোর অবস্থান এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জনগণের সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চোরাচালানমুক্ত সীমান্ত গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।
Leave a Reply