সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন, হুমকিতে অর্ধশত গ্রাম কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে: যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ তেলিয়াপাড়া চা বাগানে চা শ্রমিকদের বিক্ষোভ, দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণসহ চার দফা দাবি মাধবপুরে কিশোরীর মৃত্যুকে ঘিরে ধর্ষণ-হত্যার অভিযোগ, ২৮ দিনেও মামলা হয়নি চুনারুঘাটে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে ডা. কামরুল হাসান সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল

কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিএনপি নেতা ও আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

গত শনিবার (১ আগস্ট) সকালে মীর খোরশেদ আলমের ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ডাকযোগে একটি বড় পার্সেল আসে। পার্সেল খুলে কাফনের কাপড় ও একটি বেনামি চিঠি পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন তিনি।

চিঠিতে মীর খোরশেদ আলমকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, ‘পাওয়ার পর তোর জীবনে যা আছে করার করে নে। এরপর মাত্র কয়েকদিন বেঁচে থাকবি। আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম বুঝবি।’

চিঠিতে মীর খোরশেদ আলম ছাড়াও আনোয়ার হোসেন, মাহমুদ হোসেন, মিসির আলি, আব্দুল গফুর, মিজান কন্ডাক্টর, বজলু, সৈয়দ শিব্বির, আনাস, তালহা, তানজিল ও নোমানের নাম উল্লেখ করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই চিঠিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাঁদের চেয়ারম্যান করার কথাও লেখা রয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

মীর খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি জেনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। কারও কোনো ক্ষোভ থাকলে সরাসরি কথা বলতে পারে। অনেক সময় আমাকে নিয়ে ভুল তথ্য প্রকাশ হলেও আমি প্রতিক্রিয়া দেখাই না।’

ঘটনার পর মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পাশাপাশি বিষয়টি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছেন বলে জানান তিনি। চিঠি প্রেরণকারীর পরিচয় জানতে ফেসবুকের মাধ্যমে তাঁকে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বানও জানিয়েছেন এই বিএনপি নেতা।

মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরাশউদ্দিন বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক বিরোধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। পুলিশ ও সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে আশা করি।’

স্থানীয় যুবদল নেতা খিজির খান সোহেল বলেন, ‘মীর খোরশেদ আলম একজন ত্যাগী নেতা। তাঁকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হলে দলীয়ভাবে তা মোকাবিলা করা হবে।’

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।’

মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com