শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন বহুল সমালোচিত শিক্ষা অফিসার নাজনীন সুলতানা কে রবিবারের মধ্যে কুলাউড়ায় যোগদানের নির্দেশ বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন চুনারুঘাটের নাসির আহমেদ সাজু চুনারুঘাট পৌরসভার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এডিবি ও এএফডি প্রতিনিধি সিনথিয়া মিলা সহ এলজিইডি কর্মকর্তারা আব্দুল মুমিন সাদ্দাম বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় চুনারুঘাটে মিষ্টিমুখ দালালের খপ্পরে পড়ে সৌদি আরবে জেলে বন্দী মাধবপুরের যুবক চা বাগানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে হোসাইন মোহাম্মদ রফিক, কর্মীসভায় ব্যাপক সাড়া চুনারুঘাট সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলমগীর হোসেন তালুকদার ও সম্পাদক খন্দকার আলাউদ্দিন। শায়েস্তাগঞ্জে সুতাং নদী-ছড়া থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন চুনারুঘাট সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা

শায়েস্তাগঞ্জে সুতাং নদী-ছড়া থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদী ও ছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। প্রভাবশালী একটি চক্র প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর তীর, বাঁধ ও সেতুর ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, খোয়াই নদী, সুতাং নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন নদী ও ছড়ায় প্রতিদিন ড্রেজার ও এক্সেভেটর দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। পরে ট্রাক্টর, লরি ও অন্যান্য যানবাহনে করে এসব বালু বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভাঙনের ঝুঁকিও বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সুতাং নদী থেকে প্রভাবশালী কয়েকজনের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যেই ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছে। দিন-রাত অব্যাহত এ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে ভারী যন্ত্রপাতি। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রশাসনের নজরের সামনেই এসব কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বালু ব্যবসায়ী দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে “ম্যানেজ” করেই তারা এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। যদিও তাদের এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কিছু জরিমানা আদায় করা হলেও তা মূলত লোক দেখানো। অভিযানের কয়েকদিন পরই আগের মতো আবার শুরু হয় অবৈধ বালু উত্তোলন। ফলে স্থায়ীভাবে এ অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অব্যাহত বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তলদেশ গভীর হয়ে যাচ্ছে এবং সেতুগুলোর ভিত্তি ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে রেলসেতু ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সেতুগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে যে কোনো সময় বড় ধরনের ধসের ঘটনা ঘটতে পারে। এতে সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিবেশবাদী ও সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, নদীতে ড্রেজার ও এক্সেভেটর ব্যবহার বন্ধ এবং নিয়মিত নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com