সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা মাধবপুরে অভিনব কৌশলে গাঁজা পাচারকালে দুই কারবারি আটক ২০ কেজি গাঁজাসহ আশুগঞ্জে গ্রেপ্তার ৩ চুনারুঘাটে মাদক সেবনের দায়ে মোবাইল কোর্টে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ইউএনও মেহেদী হাসানের ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য আজমিরীগঞ্জের শিবপাশায় পুত্রের হাতে পিতা খুন আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ

চুনারুঘাটে অপহরণ মামলার দায়ে পোস্টাল অপারেটর আঃ মালেক জেল হাজতে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৫৩ বার পঠিত

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ চুনারুঘাটে অপহরণ মামলা দায়েরে অভিযোগে চুনারুঘাট সদর পোস্ট অফিসের পোস্টাল অপারেটর আঃ মালেক মিয়া (৪৫) কে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গত ১১ ফেব্র“য়ারি হবিগঞ্জের জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ভিকটিম উদ্ধার না হওয়ায় আসামী আঃ মালেককে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, চুনারুঘাট পৌর শহরের গোগাউড়া গ্রামের মৃত আঃ রহমানের ছেলে পোস্টাল অপারেটর আঃ মালেক মিয়া তার স্ত্রী পারভীন আক্তার ও ছেলে রাজীব এর বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গত ২৯ নভেম্বর ১৮ তারিখে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং-৩৮৩/১৮ইং। মামলা হওয়ার পর আসামী আঃ মালেক ও তার ছেলে রাজিব দুইজন হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন আনেন। পরে দুইজন ৬ সপ্তাহ পরে নির্ধারিত সময় জেলা আদালতে হাজির হয়ে জামিন টি বহাল রাখার কথা বলা হয়। কিন্তু পোস্টাল অপারেটর আঃ মালেক মিয়া গত ১১ ফেব্র“য়ারি হবিগঞ্জের শিশু নির্যাতন আদালতে হাজির হলে এবং ভিকটিম উদ্ধার না হওয়ায় কারণে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন এবং তার ছেলে হাজির না হওয়ায় রাজিবের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এদিকে এই মামলার অন্য আসামী পারভীন আক্তার ২ মাস জেল কেটে বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
এ ঘটনার পর আসামী পারভীর আক্তার তার ছেলে রাজিব নিখোঁজ রয়েছে বলে চুনারুঘাট থানায় একিট জিডি এন্ট্রি দায়ের করেন। অন্যদিকে আঃ মালেক ও রাজীব বাপ ছেলে আবার উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনও আনেন। বিষয়টি ধামাচাপার দেয়ার জন্য এবং নিজেকে অপহরণ মামলা থেকে বাঁচাতে জিডি দায়ের করেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী ভিকটিমের পিতা। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ নভেম্বর প্রায় সকাল ৯টার দিকে ভিকটিম পরিক্ষার দেয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে ভিকটিমকে অপহরণ করা হয়। পরে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপরহণ মামলা দায়ের করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com