মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বদলে যাচ্ছে আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলম প্রত্যাহার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জয়ে চুনারুঘাটে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছেন সমর্থকরা মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ শায়েস্তাগঞ্জে ৩৬ পিস ইয়াবাসহ ব্যারিস্টার গ্রেফতার চন্ডিছড়া চা বাগানে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজি ও অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ চুনারুঘাটে পার্টনার কংগ্রেসে পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কৃষি খাতের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় চুনারুঘাটের কৃতি সন্তান স্বপন তরফদার বিজিবির সহকারী পরিচালক পদে পদন্নোতি পেলেন চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ডিসি জি. এম. সরফরাজ

একুশে পদক পাচ্ছেন হবিগঞ্জের কৃতিসন্তান বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৫১৯ বার পঠিত

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা ॥ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বুধবার রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান বরণ্যে কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২১ বিশিষ্টজন চলতি বছর (২০১৯) একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  বরেণ্য এই কণ্ঠশিল্পী হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার নন্দীপাড়া মহল্লার সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। এই কণ্ঠশিল্পী নন্দীপাড়া এলাকার একজন চিকিৎসক পাশাপাশি সংঙ্গীত প্রেমিক সুধাংশু নন্দীর পুত্র।  মা পুতুল রাণী ছিলেন তৎকালীন সময়ের ভাল গুনি শিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।  তাই ছোটবেলা থেকেই তিনি সংঙ্গীত চর্চা করতেন। সংঙ্গীতের জগতে প্রবেশ করেন উনার মায়ের কাছে থেকেই। ওনার সংঙ্গীতের শিক্ষক (ওস্তাদ) ছিলেন বাবর আলী খান।
হবিগঞ্জ শহরে তাদের একটি বাড়ি ছিল, সেখানে ছিলেন।  পড়েছেন হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। তারপর হবিগঞ্জ সরকারী বৃন্দাবন কলেজে।  মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সুবীর নন্দী ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি তার জীবনের প্রথম গান করেন ১৯৬৭ সালে তিনি সিলেট বেতারে। তার ঐ গানের ওস্তাদ ছিলেন উনার গুরু বাবর আলী খান।
সুবীর নন্দী গানের জগতে আসেন ১৯৭০ সালে ঢাকা রেডিওতে প্রথম রেকর্ডিং এর মধ্য দিয়ে।  প্রথম গান ‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয় -এর গীত রচনা করেন মোহাম্মদ মুজাক্কের এবং সুরারোপ করেন ওস্তাদ মীর কাসেম। দীর্ঘ ৪০ বছরের সংঙ্গীতের জগতে তিনি প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি গান পরিবেশন করেছেন। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রে গেয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান।
চলচ্চিত্রে প্রথম গান করেন ১৯৭৬ সালে আব্দুস সামাদ পরিচালিত সূর্যগ্রহণ চলচ্চিত্রে। সুবীর নন্দীর প্রথম একক অ্যালবাম ১৯৮১ সালে ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে বাজারে এসেছিল। তিনি গানের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যাংকে চাকরি করেছেন।
বরেণ্য এই কণ্ঠশিল্পী সঙ্গীতের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (মহানায়ক-১৯৮৪, শুভদা- ১৯৮৬, শ্রাবণ মেঘের দিন- ১৯৯৯, মেঘের পরে মে – ২০০৪) লাভ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাচসাস পুরস্কার – ১৯৭৭, ১৯৮৪, ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে লাভ করেন।
উল্লেখ যোগ্য কিছু বিখ্যাত গান যা আজও জীবিত রয়েছে ::- ১৯৭৯ সালে :- দিন যায় কথা থাকে, ১৯৮৪ সালে :- মহানায়ক, ১৯৮৪ সালে :- চন্দ্রনাথ, ১৯৮৬ সালে :- শুভদা, ১৯৮৭ সালে :- রাজলক্ষী শ্রীকান্ত, ১৯৮৯ সালে :- রাঙা ভাবী, ১৯৯১ সালে:- পদ্মা মেঘনা যমুনা, ১৯৯৯ সালে:- শ্রাবণ;;;;;;;;;; মেঘের দিন, ২০০৩ সালে চন্দ্রকথা, ২০০৪ সালে শ্যামল ছায়া,২০০৪ সালে:মেঘের পরে মেঘ ২০০৮ সালে আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা, অবুঝ বউ নামে একটি ছায়াছবিতে গান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com