বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঔষধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ অনিয়ম ও এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধে মত বিনিময় সভা মাধবপুরে ৫০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হবিগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষের দিকে ঝুঁকছে চা-শ্রমিকরা শায়েস্তাগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৮৮ বস্তা জিরাসহ গ্রেফতার ১ শায়েস্তাগঞ্জে বিলাস পরিবহন নতুন কাউন্টারের উদ্বোধন মাধবপুর ও চুনারুঘাটকে সমৃদ্ধ ও উন্নত হিসেবে গড়ে তোলা হবে- সৈয়দ ফয়সল ভোটারদের সচেতন ও অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে মাধবপুরে চলছে ‘ভোটের গাড়ি’ ১ কোটি ১৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩১ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ চুনারুঘাটে ৫৫ বিজিবির অভিযানে ৪৭.৫ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ

রিজেন্ট মামলার প্রধান আসামি সাহেদ অস্ত্রসহ গ্রেফতার

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ৩৪১ বার পঠিত

প্রথমসেবা ডেস্কঃ- অবশেষে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) হাতে ধরা পড়লেন রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ। বুধবার ভোরে র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটার রামগতি সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ। তিনি জানান, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাঁখরা কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদী তীর সীমান্ত থেকে ভোর ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার দিকে সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়। সেখান দিয়ে নদী পেরিয়ে সাহেদ ভারতে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছিল। এর আগেও একবার একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছিলেন তিনি। সকাল নয়টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় আনা হবে। এর আগে রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। মঙ্গলবার বিকালে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সরকারের সঙ্গে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে টাকার বিনিময়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা সংগ্রহ করা এবং ভুয়া সনদ দেওয়ার অভিযোগ ৬ জুলাই র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। পরদিন উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মো. সাহেদকে এক নম্বর আসামি করে মামলা করে।
সেই মামলায় ৯ দিন পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হলেন মো. সাহেদ।
ওই মামলায় সাহেদকে প্রধান আসামি করে মোট ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। সে সময় প্রধান আসামিসহ ৯ জন আসামিকে পলাতক দেখিয়ে এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ।
আসামিরা হলেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজ, রিজেন্ট হাসপাতালের কর্মী তরিকুল ইসলাম, আবদুর রশিদ খান জুয়েল, মো. শিমুল পারভেজ, দীপায়ন বসু, আইটি কর্মকর্তা মাহবুব, সৈকত, পলাশ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান হাবীব (১), হেলথ টেকনিশিয়ান আহসান হাবীব (২), হেলথ টেকনোলজিস্ট হাতিম আলী, অভ্যর্থনাকারী কামরুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের প্রকল্প প্রশাসক মো. রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত বণিক, রিজেন্ট গ্রুপের গাড়িচালক আবদুস সালাম ও নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রশিদ খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com