মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ কুলাউড়ায় উপজেলা পর্যায়ে কলেজ স্তরের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন লংলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম শায়েস্তাগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক চুনারুঘাটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জামাল গ্রেফতার চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের রেইনকোট বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য এসএম ফয়সল এসআরবি-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে ১৩ কেজি গাঁজাসহ চুনারুঘাটের ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে নবীগঞ্জে। এসআরবি-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থেকে ১২ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ২০ কেজি গাঁজা সহ চুনারুঘাট চান্দপুর চা বাগানের দুই মাদক কারবারি আটক

শহরতলীর আলম বাজারে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৬ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরতলীর আলম বাজারে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা আহাদ মিয়া ও বিএনপি নেতা তারা মিয়া দলের মধ্যে শহরতলীর আলম বাজারে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহতরে মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ বেশ কয়েকজন কে ঢাকা ও সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে। গতকাল রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।আলম বাজারে স্ট্যান্ডটি আওয়ামীলীগ আমলে আওয়ামীলীগ নেতা আহাদ মিয়া ও ভাই আশিক মিয়ার দখলে ছিল। এ স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী সিএনজি, টমটম, ম্যাক্সি, জীপ থেকে চাঁদা উত্তোলন করা হয়। আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ঘটনায় সংঘর্ষে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা আহাদ মিয়া, তার ভাই আশিক মিয়া, ভাতিজা ডিপজল সহ অনেকেই আসামী ভূক্ত হয়। এর পর আহাদ মিয়া ঢাকা থেকে গ্রেফতার হলেও অন্যান্যরা আত্মগোপনে চলে যায়। গতকাল সন্ধ্যায় এরা স্ট্যান্ডটি পুনরায় দখল করতে আসলে বিএনপি নেতা তারা মিয়ার ভাই সুরুজ আলী বাধা প্রদান করেন। এ সময় তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংগর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে ছুড়লে অনেকে প্রাণভয়ে মসজিদে গিয়ে আত্মরক্ষা করে। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে চোখে গুলিবিদ্ধ মোতালিব মিয়াকে ঢাকায় এবং টেঁটা ও গুলিবিদ্ধ রুবেল মিয়া (৩০), নাসির মিয়া সহ ২০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গুরুতর আহত সুরুজ আলী, জাহাঙ্গীর, নাজিম, কবির, সুহেল, বাতির মিয়া, রইছ মিয়া, মুহিবুল, কবির-২, জয় মিয়া, ইকবাল মিয়া, আশিক মিয়া, আহমদ তালুকদার, ইসমাইল, ফরিদ মিয়া, আরিফ, ধন মিয়া, জাহির মিয়া, তন্নি, সামিউল, তাজুল, ফরিদ-২, রুবেল ও কাসেম কে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বানিয়াচং থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকা শান্ত রয়েছে। তিনি জানান, নয়া পাথারিয়া গ্রামটি হবিগঞ্জ শহরতলীতে। বানিয়াচং থানা থেকে গ্রামটি অনেক দূরে হওয়ায় আসামীদের ধরা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ যাওয়ার খবর পেলেই তারা পালিয়ে যায়। তবে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com