শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে ডা. কামরুল হাসান সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে বিরোধ নিয়ে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন বহুল সমালোচিত শিক্ষা অফিসার নাজনীন সুলতানা কে রবিবারের মধ্যে কুলাউড়ায় যোগদানের নির্দেশ বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন চুনারুঘাটের নাসির আহমেদ সাজু

শায়েস্তাগঞ্জে জমিতে পানি সেচের অভাবে মরে যাচ্ছে বোরো ধান

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৮৪ বার পঠিত

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার আলাপুর গ্রাম এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত বিএডিসি সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা বোরো ধান চাষ করে আসছেন। চলতি বোরো মৌসুমেও আলাপুর গ্রামের শতাধিক কৃষক জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করেছেন। সেচ প্রকল্পের পরিচালক আলাপুর গ্রামের সুন্দর হোসেনের পুত্র আব্দুল কাইয়ুম সময়মত পানি সেচ না দেওয়ায় বোরো ধান চাষ করতে বিলম্ব হয়েছে কৃষকের। তাই যেখানে এখন বোরো ধান কাটার সময় সেখানে এখন পর্যন্ত ধানের শীষ পর্যন্ত বের হয়নি। এ ব্যাপারে বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে আলাপুর গ্রামাবাসীর পক্ষে মোঃ নুরুল আলম জামাল স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দায়ের করেছেন। এ সময় গ্রামের শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত অভিযোগে কৃষকরা উল্লেখ্য করেন, বোরো ধান চাষাবাদের জন্য ডিসেম্বর- জানুয়ারী মাসে জমিতে পানি সেচ দেওয়ার কথা থাকলেও সেচ প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম পানি দেন ফেব্রুয়ারী মাসে। আর তাতেই বোরো ধান চাষাবাদে বিলম্ব হয়েছে। বর্তমানেও জমিতে পানি না ধানের জমি ফেটে যাচ্ছে এবং প্রায় ৫০ একর জমির ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদিকে এঘটনার খবর পেয়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। আলাপুর গ্রামের আমির আলী, রেনু মিয়া, তাহির মিয়া, সবুজ মিয়া, সহিদ মিয়া জানান- তারা জনপ্রতি গড়ে তিনশ শতক জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। কৃষক প্রতি বিশ থেকে ত্রিশ হাজার টাকা খরচ গুণতে হয়েছে। এখন সময়মত পানি না পাওয়ায় ধানের আশায় ছেড়ে দিয়েছেন। উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ মিনহাজুল ইসলাম বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএডিসি কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com