বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে বিরোধ নিয়ে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন বহুল সমালোচিত শিক্ষা অফিসার নাজনীন সুলতানা কে রবিবারের মধ্যে কুলাউড়ায় যোগদানের নির্দেশ বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন চুনারুঘাটের নাসির আহমেদ সাজু চুনারুঘাট পৌরসভার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এডিবি ও এএফডি প্রতিনিধি সিনথিয়া মিলা সহ এলজিইডি কর্মকর্তারা আব্দুল মুমিন সাদ্দাম বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় চুনারুঘাটে মিষ্টিমুখ

হাকালুকি হাওরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ধরা পড়ছে ‘বড় ইলিশ’

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯
  • ৫১৫ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের সর্ববৃহৎ মিঠা পানির জলাভূমি হাকালুকি হাওরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে রুপালি ইলিশ। প্রতি বর্ষা মৌসুমে এ হাওরে ছোট আকারের ইলিশ ধরা পড়লেও এবার বড় আকারের ও সংখ্যায় বেশি ধরা পড়ছে।

তিন বছর আগে মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে বেশ ইলিশ ধরা পড়েছিল। মাঝখানে আর তেমন দেখা মেলেনি। তবে এবার আবারও জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়ছে। স্থানীয় হাটবাজারে তা বিক্রিও হয়।

মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও হাওরে মিঠা পানিতে ইলিশের আবাসস্থল গড়ে উঠেছে। এ কারণে হাকালুকিতে এ মাছের দেখা পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে ২০১৬ সালে এ হাওরে ইলিশ পাওয়া গেলেও তা ছিল হাতেগোনা। কিন্তু চলতি বছরে আগের যেকোনো রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে ইলিশ। এত ইলিশ একসঙ্গে দেখে অবাক জেলেরা।

হাকালুকি হাওর ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিন ৫০-৬০টি জাল দিয়ে মাছ ধরছেন জেলেরা। একেকটি জালে ২০-৩০টি ইলিশ উঠে আসে। তবে জেলেরা ইলিশ ধরার কথা স্বীকার করতে চান না এবং মাছ দেখাতেও রাজি নন। তাদের ভয়, ইলিশের কথা বেশি প্রচার হলে মাছ ধরা বন্ধ করে দিতে পারে প্রশাসন।

তবে সরেজমিনে হাকালুকির গৌড়কুড়ি বিলে জেলেদের জালে দেখা যায়, প্রতি টানে প্রায় ৩০টির মতো রুপালি ইলিশ জালে উঠে আসছে। এর মধ্যে ৬০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ রয়েছে। এসব ইলিশ আশপাশের বাজারগুলোতে পাওয়া যায়। আকারভেদে এসব ইলিশের দাম হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর হাকালুকিতে ইলিশ ধরা পড়লেও এ বছরের মতো এত ইলিশ ধরা পড়েনি। দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও হাওরে মিঠা পানিতে ইলিশের আবাসস্থল গড়ে উঠেছে। এ কারণে হাকালুকিতে এ মাছের দেখা পাওয়া যাচ্ছে।

কুলাউড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ বলেন, মূলত তিনটি কারণে হাকালুকিতে ইলিশ বেড়েছে।

প্রথমত, যেসব নদীতে ইলিশ পাওয়া যায় তার সঙ্গে যোগসূত্র আছে পদ্মা-মেঘনার। এসব নদীর সঙ্গে সুরমা ও কুশিয়ারার যোগসূত্র আছে। যেহেতু ইলিশের প্রজনন সময়ে পানি বেশি ছিল সেহেতু সুরমা- কুশিয়ারা নদী হয়ে হাকালুকি হাওরে ঢুকেছে ইলিশ।

দ্বিতীয়ত, গত কয়েক বছর ধরে সরকার ইলিশ রক্ষায় যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেজন্য বেড়েছে ইলিশ। দেশে ইলিশ বেড়েছে বলেই হাকালুকিতেও ইলিশ মিলছে।

তৃতীয়ত, গত কয়েক বছর ধরে সাফল্য ধরে রেখেছে মৎস্য বিভাগ। হাকালুকিতেও প্রতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মাছ উৎপাদন হয়। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের কারণে হাকালুকি হাওরে বেড়েছে ইলিশ।

সুত্রঃ আজকের সিলেট

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com