বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি হবিগঞ্জে তারেক রহমানের ঈদ উপহার পেলেন যুবদল নেতাকর্মী ও শহীদ পরিবার সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে দুই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৭০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার। শায়েস্তাগঞ্জে হেডফোনে গান শুনে পথ চলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় নারী নিহত সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা ও ০৫ বোতল মদ উদ্ধার পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার চুনারুঘাট উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন চুনারঘাট খোয়াই নদীতে ডুবে নিখোজের ২ দিন পর আব্দুল জলিলের লাশ উদ্ধার মাধবপুরে বিজিবির পৃথক অভিযান ২৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ চুনারুঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান ৮টি ভারতীয় গরু ও ৫৫ কেজি গাঁজা জব্দ

হবিগঞ্জে হত্যা মামলায় ছয়জনের যাবজ্জীবন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৯
  • ৫৪৯ বার পঠিত
নুর উদ্দিন সুমন।।  হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কৃষক তোতন মিয়া হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন ও ১৪ জনকে খালাস দিয়েছে আদালত। এসময় দণ্ডিতদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম নাছিম রেজা এ রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন-উপজেলার জলসুখা শংকমোহন গ্রামের সফর আলীর ছেলে মোশাহিদ মিয়া, সামছুল হকের ছেলে মোহন মিয়া, বাগহাটি গ্রামের আলম মৌলার ছেলে জিয়াউর রহমান, আটপাড়া গ্রামের রহমান উল্লাহর ছেলে ওয়াহাব উল্লাহ, মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে চান মিয়া ও মির্কা গ্রামের বিনন মিয়ার ছেলে দিলু মিয়া। রায়ের সময়ে মোশাহিদ মিয়া ও জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিল। বাকী চার আসামি পলাতক রয়েছেন।
হবিগঞ্জের কোর্ট ইন্সপেক্টর আল আমিন হোসেন বলেন, উপজেলার জলসুখা শংকরমোহন গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে কৃষক তোতন মিয়া আসামি মোশাহিদ মিয়ার জলমহালে বাবুর্চির কাজ করতেন। তাদের মধ্যে বিরোধ থাকায় ২০০৫ সালের ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যায় তোতনকে ডেকে  নিয়ে জলমহালের পাশের ক্ষেতে জবাই করা হয়। পরে এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আনোয়ারা আক্তার বাদী হয়ে ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে তৎকালীন আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি শ্যামল কান্তি বড়ুয়া ২০০৬ সালের ১৯ মার্চ ২০ জনকেই আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ২৬ স্বাক্ষীর মধ্যে ১৫ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেয়া হয়। এতে ছয়জনকে যাবজ্জীবন ও অপরাধে সম্পৃক্ততা না থাকায় বাকীদের খালাস দেয়া হয়।
বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডডেভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক বলেন, রায়ে বাদী পক্ষ খুশি হয়েছে। তবে কয়েকজন আসামি খালাস পাওয়ায় কিছুটা হতাশ। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নিবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com