বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিজিবির অভিযানে ৭৮ লাখ টাকার কসমেটিকস ও জিরা জব্দ সুরমা চা বাগানে তলব বন্ধ: মানবিক সংকটে শ্রমিকরা, পাশে দাঁড়ালেন এমপি পুত্র সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। বিএনপি শুধু সংস্কার চায় না, এর বাস্তবায়ন ও করবে: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রী মাধবপুরে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, তেল লুটপাট করতে স্থানীয়দের ভিড় সীমান্তে বিজিবির টানা অভিযানে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি হবিগঞ্জে তারেক রহমানের ঈদ উপহার পেলেন যুবদল নেতাকর্মী ও শহীদ পরিবার সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে দুই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৭০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার। শায়েস্তাগঞ্জে হেডফোনে গান শুনে পথ চলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় নারী নিহত সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা ও ০৫ বোতল মদ উদ্ধার

সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: সোনাই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক হামিদুর রহমান সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি প্রদান করেছেন, যেখানে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত সপ্তাহেও সোনাই নদীতে প্রায় ১০-১২টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন চলছিল। তবে বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টিতে। এ অবস্থা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালিত হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বরং অভিযানে কেবল শ্রমিক ও ড্রাইভারদের আটক করা হচ্ছে, যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। এতে করে অবৈধ বালু উত্তোলন কার্যক্রম আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এছাড়া, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিস্বার্থে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে নীরব সমর্থন দেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। এতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি কয়েকজন সাংবাদিক সোনাই ব্রিজ এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে বালু উত্তোলনকারীরা দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়ে। এতে বোঝা যায়, এ চক্রটি সুসংগঠিত এবং প্রভাবশালী। স্থানীয়দের ধারণা, তারা প্রশাসনের একটি অংশকে প্রভাবিত করতেও সক্ষম হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, রাত যত গভীর হয়, অবৈধ বালু পরিবহন ততই বৃদ্ধি পায়। এমনকি অবৈধ রশিদের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে, যা চাঁদাবাজির শামিল।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনগণ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ভবিষ্যতে মানববন্ধন বা গণপ্রতিবাদের মতো কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

পরিশেষে, সোনাই নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com