বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নবীগঞ্জে ফ্রান্স প্রবাসী আব্দুল মুমিনের বাড়ি ঘর হামলা ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগ ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য আজমিরীগঞ্জের শিবপাশায় পুত্রের হাতে পিতা খুন আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ চুনারুঘাটে এলপিজি ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। নবীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত দিনারপুরে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চলছে পাহাড় কাটার মহোৎসব সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগীতা করা হবে– প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন

নবীগঞ্জে ফ্রান্স প্রবাসী আব্দুল মুমিনের বাড়ি ঘর হামলা ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার শ্রীমতপুর গ্রামের আব্দুল মতিন ও রাজিয়া বেগমের ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী আব্দুল মুমিনের বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করেছে একদল দুর্বৃত্ত। জানা যায় গত ২০/০৫/২০২৬ইং তারিখে জমি জমা বিরোধ নিয়ে তার প্রতিবেশী মো: রাহেল মিয়া ও মোছা: শিরিন আক্তারের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত আব্দুল মুমিনের বাড়িতে হামলা বাড়ি ঘর ভাংচুর ও বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। তার প্রতিবেশী মো: রাহেল মিয়া ক্ষমতাসীন কালিয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সেক্রেটারী ছিলেন। মো: রাহেল মিয়ার সহিত ও তাহার স্ত্রীর মোছা: শিরিন আক্তার এর সহিত বিরোধ থাকায় উক্ত বিরোধ কে অন্যদিকে প্রবাহিত করে তাকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন করে আসছিল। মো: রাহেল মিয়া আওয়ামী লীগ এর কর্মী হওয়ায় আমাকে রাস্তাঘাটে বিভিন্নভাবে টিটকারী মসকরা করিত। আমার পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করিয়া আসিতে থাকাবস্থায় জমি নিয়া আমার প্রতিবেশী মো: রাহেল মিয়া ও মোছা: শিরিন আক্তার এর সহিত বিরোধ সৃষ্টি হয়। আমার প্রতিবেশী মো: রাহেল মিয়া ক্ষমতাসীন কালিয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সেক্রেটারী ছিল। মো: রাহেল মিয়ার সহিত ও তাহার স্ত্রীর মোছা: শিরিন আক্তার এর সহিত বিরোধ থাকায় উক্ত বিরোধ কে অন্যদিকে প্রবাহিত করিয়া আমাকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন করিয়া আসিতেছিল। মো: রাহেল মিয়া আওয়ামী লীগ এর কর্মী হওয়ায় আমাকে রাস্তাঘাটে বিভিন্নভাবে টিটকারী মসকরা করিত। আমি ইহার প্রতিবাদ করিলে তার দলীয় লোকদের দ্বারা তাকে ভয় প্রদর্শন করিত। এক পর্যায়ে আমার প্রতিবেশী মো: রাহেল মিয়া তাকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য স্বগ্রাম নিবাসী কামরুজ্জামান চৌধুরীকে ভুল বুঝাইয়া তার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য বলিলে কামরুজ্জামান চৌধুরী বাদী হইয়া বিগত ০৫/১১/২০১৭ তারিখে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৭/১১৪/১১৭(সি) ধারায় একটি মিথ্যা মামলা আমি সহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করেন। যাহার মিস মামলা নং ১০৮৫/২০১৭ (নবীগঞ্জ)। পরবর্তীতে মামলাটির কোন ভিত্তি না থাকায় এবং সঠিক তথ্য গোপন করিয়া মামলা দায়ের করায় ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৭/১১৪/১১৭(সি) ধারার মামলাটি বিজ্ঞ আদালত এক পর্যায়ে খারিজ করেন। উক্ত মামলাটি খারিজ হওয়ার কারণে তাকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য আবারও গত ১৮/১২/২০২০ তারিখে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৪ ধারায় একটি মিথ্যা মামলা আব্দুল মুমিনসহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। যাহার দরখাস্ত মামলা নং ১১২৫/২০১৭ (নবীগঞ্জ)। উক্ত মামলাটি সাক্ষী প্রমান না থাকার কারণে খারিজ করিয়া তাদেরকে বিজ্ঞ আদালত অব্যাহতি প্রদান করেন। তৎপর হইতে মো: রাহেল মিয়া আমার ক্ষতি সাধন করার জন্য বিভিন্নভাবে চক্রান্ত করিয়া আসিতে থাকে। পরবর্তীতে একদিন মো: রাহেল মিয়া আব্দুল মুমিনকে রাস্তায় একা পাইয়া বলে যে, তোমাকে আমি উচিত শিক্ষা দিয়া মজা বুঝাইয়া দিব। এরই ধারাবাহিকতায় কিছু দিন পর মো: রাহেল মিয়া তাহার স্ত্রীকে দিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৭/১০/৩০ ধারায় একটি মামলায় তাকে ও তার পরিবারের আরও ৩ সদস্যকে আসামী করিয়া মামলা দায়ের করে। মামলার বাদী ছিল মো: রাহেল মিয়ার স্ত্রী মোছা: শিরিন আক্তার। যাহা নারী ও শিশু মামলা নং-১২৭৬/২০১৮ (নবীগঞ্জ)। নারী ও শিশু মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করার পর বিজ্ঞ আদালত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপর তদন্তভার ০৭ কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিয়া তদন্ত রিপোর্ট মাননীয় আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। তৎপর বাদীপক্ষ দ্বারা তদন্তকারী কর্মকর্তা বশীভূত হইয়া মিথ্যা ও মনগড়া একটি তদন্ত প্রতিবেদন মাননীয় আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তা দাখিল করিলে উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে মাননীয় আদালত যথারীতি মামলাটি আমল গ্রহন করতঃ আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করেন। পরবর্তীতে আমার নিয়োজিত এডভোকেট গতি গোবিন্দ দাশ এর মাধ্যমে মাননীয় আদালতে আমিসহ অন্যান্য আসামীগণ স্বেচ্ছায় হাজির হইয়া জামিনের আবেদন করিলে মাননীয় আদালত আমি ছাত্র থাকার কারণে এবং অন্যান্য আসামীগণ নির্দোষ হওয়ার কারণে মাননীয় আদালত আমাদেরকে উপযুক্ত জামিনদারের জিম্মায় জামিনে মুক্তি প্রদান করেন। পরবর্তীতে আমরা জামিনে যাইয়া যথা সময়ে মাননীয় আদালতে সময়ে সময়ে হাজিরা প্রদান করিয়া আসিতে থাকি। বিজ্ঞ আদালত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে গত ১৯/০৫/২০২৬ ইং তারিখে একতরফাভাবে রায় ঘোষণা করে তাকে ১০ (দশ) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ (এক) লক্ষ টাকা জরিমানা প্রদান করেন। মামলার বাদীপক্ষ ঐ রায়ে উল্লসিত হয়ে গত ২০/০৫/২০২৬ইং তারিখে আব্দুল মুমিনের বাড়িতে হামলা- ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বর্তমানে তিনি ফ্রান্সে অবস্থান করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com