মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গ্রেড-১ পাচ্ছেন অতিরিক্ত আইজিপি কামরুল আহসান চুনারুঘাটে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার দেড় হাজার পিস ইয়াবাসহ চুনারুঘাটে দুই কারবারি আটক চুনারুঘাটে উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন-প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী চুনারুঘাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কবর জিয়ারত করলেন প্রতিমন্ত্রী আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা- মাধবপুর সার্কেল এএসপি নির্মলেন্দু সংকট এড়াতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ান : প্রধানমন্ত্রী সংকট এড়াতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ান : প্রধানমন্ত্রী মহাসড়কের পাশের শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চুনারুঘাটে দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা সম্পন্ন

গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে:মাধবপুরের ধর্মঘরে মাদকের ভয়াল থাবা

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০
  • ১৮৯ বার পঠিত

শেখ জাহান রনি মাধবপুর প্রতিনিধি: করোনাভাইরাসের চলমান সংকটের সময়েও হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর এলাকায় মাদক কারবার বন্ধ নেই। অতীতের চেয়ে রেকর্ড ভেঙে চলছে মাদকের জমজমাট ব্যবসা। মাদক কারবারিরা ধর্মঘর মনতলা রোডের বিভিন্ন পয়েন্টে লোক নিয়োগ করে রেখেছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান মাদক বিক্রেতাদের কাছে মোবাইল ফোনে পৌঁছে দেয়।ধর্মঘর এলাকার দায়িত্বে রয়েছে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ি। বর্তমানে এখানে পর্যাপ্ত জনবলও রয়েছে। একজন পরিদর্শক, দুজন এসআই, দুজন এএসআই, একজন এটিএসআই। অন্যদিকে ধর্মঘর এলাকার মালনঞ্চপরে রয়েছে একটি বিজিবি ক্যাম্প। মাঝে মাঝে মাদকের চালান আটক করা হলেও মাদকের গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায়।মাদকের মূল গডফাদারদের আটক না করার কারণেই মাদকের কারবার প্রতিদিন বেড়েই চলছে। এলাকার জনমনে নানা রকম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মাঝে মাঝে মাদকের চালান আটক হলেও আসামি পাওয়া যায়নি বলে মাদকদ্রব্যকে পরিত্যক্ত দেখানো হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে মাধকের কোনো তথ্য দেয়া হলে তা পৌঁছে যায় মাদক কারবারিদের কাছে, এমন অভিযোগ এলাকার অনেকের।
মাধবপুর থানার ওসি তদন্ত গোলাম দস্তগীরর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মাদকের গডফাদারদের তালিকা সংগ্রহ করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করব। ধর্মঘর বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার আবু বক্কর বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি। মাদক বৃদ্ধি পেয়েছে শুনেছি, আমি ব্যবস্থা নেবো। মাদকের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই।
কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোরশেদ আলম জানান, মাদক জোন ধর্মঘরের দায়িত্ব দিয়েছেন এসআই কামরুল ইসলামকে ওসি সাহেব। আমার দায়িত্ব নয়, আমি মাঝে মাঝে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুরোধ দেখি। তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও ধর্মঘর ইউনিয়নের মাদক মামলা তদন্ত করতেছে। ধর্মঘর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মামুনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যারা মাদক ব্যবসা করে আমরা জানি, আমাদের জন্য একটু সমস্য, কারণ আমরা জনপ্রতিনিধি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com