বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা ও ০৫ বোতল মদ উদ্ধার পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার চুনারুঘাট উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন চুনারঘাট খোয়াই নদীতে ডুবে নিখোজের ২ দিন পর আব্দুল জলিলের লাশ উদ্ধার মাধবপুরে বিজিবির পৃথক অভিযান ২৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ চুনারুঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান ৮টি ভারতীয় গরু ও ৫৫ কেজি গাঁজা জব্দ জ্বালানি তেল পাচার রোধে হবিগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি মাধবপুরে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল এর নির্দেশে চা বাগানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা হবিগঞ্জে ট্রাক্টরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল চালক নিহত

বাহুবলে মসজিদে নামাজ বন্ধে মাইকিং।প্রতিবাদে হাজারো মুসল্লীয়ানদের বিক্ষোভ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২০
  • ৪৫৩ বার পঠিত

শেখ মোঃ হারুনুর রশিদ।। হবিগঞ্জের বাহুবলে মসজিদে নামাজ বন্ধে মাইকিং এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন হাজারো মুসল্লীয়ান।শুক্রবার (২০ মার্চ)বিকেলে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা তালুকদার মাইকিং করে উপজেলার সকল মসজিদে ফরজ ব্যতিত অনান্য নামাজ বন্ধের আদেশ দেন। তার নির্দেশনায় মাইকিংয়ে বলা হয়, কেউ এই আদেশ অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

এরই প্রতিবাদে মাগরিবের নামাজের পর বাহুবল উপজেলা সদরের হাজারো মুসুল্লিয়ান বিক্ষোভ শুরু করেন এবং মরতে হলে মসজিদে নামাজ পড়েই মরব বলে মুসল্লীরা শ্লোগান দেন। মাগরিব থেকে এশার নামাজ পর্যন্ত মসজিদে নামাজ বন্ধ কেন এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে থানা ও ইউএনও অফিসের সামনে শ্লোগান দিতে থাকে মুসল্লীরা। এসময় ইউএনওর বিরুদ্ধেও শ্লোগান দেয়া হয়। রাত ৮ টার দিকে বাহুবল নবীগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মসজিদে নামাজ চলবে। তবে অসুস্থ ব্যক্তিরা মসজিদে না এসে নিজ বাসা বাড়িতে নামাজ আদায় করতে কোন বাধা নেই। তার এ বক্তব্যের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং মুসল্লীরা শান্ত হন।
এ মিছিলে নেতৃস্থানীয় কোন আলেম ওলামাকে দেখা যায়নি।

উল্লেখ্য,চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।করোনা থেকে বাঁচতে সরকার থেকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন রকমের দিকনির্দেশনা।ধূলোবালিতে যাওয়া যাবেনা,মাস্ক পড়তে হবে,গণজমায়েত থেকে বিরত থাকতে হবে। যে কারণে ইউএনও নামাজ বন্ধে মাইকিং করিয়েছিলেন।কিন্তু ওই এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা এই সিদ্ধান্ত মানেননি।তাঁরা বার বার বলেছেন,মরতে যদি হয় মসজিদেই মরবো,তবুও মসজিদে নামাজ পড়েই মরবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com