বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা ও ০৫ বোতল মদ উদ্ধার পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার চুনারুঘাট উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন চুনারঘাট খোয়াই নদীতে ডুবে নিখোজের ২ দিন পর আব্দুল জলিলের লাশ উদ্ধার মাধবপুরে বিজিবির পৃথক অভিযান ২৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ চুনারুঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান ৮টি ভারতীয় গরু ও ৫৫ কেজি গাঁজা জব্দ জ্বালানি তেল পাচার রোধে হবিগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি মাধবপুরে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল এর নির্দেশে চা বাগানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা হবিগঞ্জে ট্রাক্টরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল চালক নিহত

লাখাইয়ে আলোচিত স্কুল ছাত্র রুবেল হত্যা মামলায় ১৬ বছর পর ঘাতকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৫১১ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ লাখাইয়ে স্কুল ছাত্র রুবেল মিয়া (৯) হত্যা মামলায় রায়হান (৩০) নামে এক ঘাতককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সাথে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৫ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেন।

গতকাল বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ এসএম নাছিম রেজা এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত রায়হান ঢাকা জেলার রমনা থানার শিকদার বাড়ি এলাকার শাহাজান মোল্লার পুত্র এবং লাখাই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের আব্দুল হাই মাস্টারের পালক পুত্র। রায়ের সময় ঘাতক আদালতে উপস্থিত ছিল।

আদালত সুত্রে জানা যায়, হত্যাকারী রায়হান লাখাই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের আব্দুল হাইকে ধর্মপিতা ডেকে সেখানেই বসবাস করেই আসছি। ২০০৩ সালের ৮ আগস্ট একই গ্রামের শরীফ মিয়ার ৯ বছর বয়সী সন্তান স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র রুবেলকে মাছ ধরার কথা বলে নৌকাতে করে পার্শ্ববর্তী হাওরে নিয়ে বলৎকারের চেষ্টা চালায়। শিশু রুবেল এ সময় চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে তার হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয়। ঘটনার ৩ দিন পর হাওরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পায় স্থানীয়রা।

১১ আগস্ট মরদেহ উদ্ধারের দিনই রুবেলের পিতা বাদী হয়ে রায়হানকে একমাত্র অসামী করে লাখাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এর প্রেক্ষিতে লাখাই থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢাকা কল্যাণপুর থেকে রায়হানকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করে। সে ১৬ আগস্ট হত্যার দ্বায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি দেয়। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ৫ অক্টোবর লাখাই থানার তৎকালীন এসআই শাহজাহান মিয়া আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সে দীর্ঘদিন কারাভোগ করে উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করে আসছিল। হত্যা কান্ডের দীর্ঘ ১৬ বছর পর ১২ জনের স্বাক্ষীর জবানবন্দি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। গতকালই তাকে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। রাষ্ট পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল আহাদ ফারুকসহ অন্যান্য আইনজীবিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com