স্টাফ রিপোর্টার ॥ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার দাউদনগর বাজারে মাগুর ও শিং মাছে কাপড়ের রং মেশানোর অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় মাছ ব্যবসায়ী মোঃ নাসির মিয়া (৫৫) ও মোঃ হিরো মিয়া (৪০)-এর ২১ কেজি মাছ জব্দ করে বিনষ্ট করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর। গতমঙ্গলবার রাতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কনিক চন্দ্র শর্মা অভিযান চালিয়ে মাছ গুলো বিনষ্ট করে টয়লেটে ফেলে দেন। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দাউদনগর বাজারে ব্যবসায়ীরা মাছে রং মিশিয়ে বিক্রি করে আসছিলেনন। বিষয়টি গোপন সংবাদে জানতে পারে ভোক্তা অধিকার সংক্ষরণ অধিদপ্তর। এ বিষয়ে উল্লেখিত সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কনিক চন্দ্র শর্মা বাজারে অভিযান চালান। এ সময় মাছ বিক্রেতা উপজেলার চানপুর (সুতাং) গ্রামের নাছির মিয়া ও একই গ্রামের হিরো মিয়া শিং ও মাগুর মাছে কাপড়ের রং মিশিয়ে বিক্রিকালে ধরা পড়েন। তখন তিনি তাদের কাছ থেকে ২১ কেজি রং মেশানো মাছ জব্দ করেন এবং সকলের উপস্থিতিতে টয়লেটে ফেলে দেন। স্থানীয়রা জানান, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পরগণা ঐতিহ্য দাউদনগর বাজার । সপ্তাহে তিনদিন বাজার বসে, যেমন – শনিবার,মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার এবং ভোর সকাল থেকে রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত বাজারে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, মাংস, শুঁটকি, বিভিন্ন তরিতরকাি সহ অনেক কিছু পাওয়া যায় । এ বাজারে প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গার হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতা আসেন । দাউদনগর বাজারসহ অন্যান্য বাজারে বিশাক্ত রাসায়নিক ও রং মিশ্রিত করে মাছ বিক্রি কওে যাচ্ছে কিন্তু অনেক ক্রেতার ধারণা নেই ।
হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা দায়িত্ব প্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা কনিক চন্দ্র শর্মা বলেন, ‘মাছের মধ্যে বিশাক্ত রং ও রাসায়নিক বিশাক্ত জেলি চিংড়ি মাছ বিক্রি করে মানুষের মানবদেহের রেচনতন্ত্র মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়ে জনস্বাস্থ্য জন্য অনেক ক্ষতিকর। মাছ বরফে রাখার পর শক্ত হয়ে ওজন বেড়ে যায় এবং ক্রেতারা করে অনেক প্রতারণা শিকার হতে হয়’। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। বাজারে সকল মাছ ব্যবসায়ীকে আবারো সতর্ক করে দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা।
Leave a Reply