বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাতছড়ি সীমান্তে দুর্গম বনাঞ্চলের ভেতর থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা ও ০৫ বোতল মদ উদ্ধার পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার চুনারুঘাট উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন চুনারঘাট খোয়াই নদীতে ডুবে নিখোজের ২ দিন পর আব্দুল জলিলের লাশ উদ্ধার মাধবপুরে বিজিবির পৃথক অভিযান ২৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ চুনারুঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান ৮টি ভারতীয় গরু ও ৫৫ কেজি গাঁজা জব্দ জ্বালানি তেল পাচার রোধে হবিগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি মাধবপুরে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল এর নির্দেশে চা বাগানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা হবিগঞ্জে ট্রাক্টরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল চালক নিহত

হবিগঞ্জে স্বামীকে মদের সঙ্গে বিষপান করিয়ে হত্যার বর্ণনা দিয়েছে স্ত্রী

নুর উদ্দিন সুমন, বার্তা সম্পাদক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৯৫ বার পঠিত

হবিগঞ্জ শহরের ‘সিহাব রেস্ট হাউজে’ আলমগীর মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তি বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়ার রহস্য উদঘাটন । হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন নিহতের চতুর্থ স্ত্রী তানিয়া আক্তার। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে তানিয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
নিহত আলমগীর সদর উপজেলার সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ও তার স্ত্রী তানিয়া বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের লুৎফুর রহমানের মেয়ে। স্বামীকে মদের সঙ্গে বিষপান করিয়ে হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন তানিয়া।
পুলিশ জানায়, তারা দু’জন গত ২৩ জুলাই হবিগঞ্জ শহরের সিহাব রেস্ট হাউজের একটি কক্ষ ভাড়া করে রাতে থাকেন। সকালে হঠাৎ ওই নারী হোটেল ম্যানেজারকে জানান, তার স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সেখানে কান্নার অভিনয় করেন নিহতের স্ত্রী। এরপর আলমগীরের বাবা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তানিয়াকে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠান। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী জানান, তারা দু’জনই বিবাহিত। তানিয়া আলমগীরের চতুর্থ স্ত্রী। শ্বশুরবাড়ি থেকে মর্যাদা না পাওয়ার ক্ষোভে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তানিয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হোটেলে উঠে মদের সঙ্গে আলমগীরকে কৌশলে বিষপান করান তিনি। পরে হাসপাতাল থেকেই তিনি গ্রেফতার হন এবং রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবদ করলে স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আদালত স্বীকারোক্তি গ্রহণের পর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com