শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গ্রেড-১ পাচ্ছেন অতিরিক্ত আইজিপি কামরুল আহসান চুনারুঘাটে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার দেড় হাজার পিস ইয়াবাসহ চুনারুঘাটে দুই কারবারি আটক চুনারুঘাটে উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন-প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী চুনারুঘাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কবর জিয়ারত করলেন প্রতিমন্ত্রী আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা- মাধবপুর সার্কেল এএসপি নির্মলেন্দু সংকট এড়াতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ান : প্রধানমন্ত্রী সংকট এড়াতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ান : প্রধানমন্ত্রী মহাসড়কের পাশের শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চুনারুঘাটে দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা সম্পন্ন

ব্যবসায়ী আজিজ হত্যা মামলার রায় বুধবার

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৯১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০ বছর আগে রাজধানীর লালবাগের কাচ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ নিখোঁজের পর খুনের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য হয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আগামী কাল বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করবেন।
গত ১৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন ঠিক করা হয়। ১৯৯৮ সালের ৫ মার্চ সকাল ৭টায় আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ লালবাগ রোডের বাসা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। আজিজকে খুঁজে না পেয়ে ছোট ভাই মো. বাচ্চু মিয়া লালবাগ থানায় একটি জিডি করেন। এর ১২ দিন পর একই বছর ১৭ মার্চ মাকসুদ ও আমানুল্লাহ নামে দুজনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অপহরণ মামলা করেন বাচ্চু মিয়া। মামলায় বলা হয়, মাকসুদ ও আমানুল্লাহর সঙ্গে ভাঙা কাচের ব্যবসা করতেন আব্দুল আজিজ চাকলাদার। তারা দুজন আজিজের কাছে ব্যবসায়িক কারণে ২৫ হাজার টাকা পেতেন। টাকা লেনদেনের কারণে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এ কারণে মাকসুদ ও আমানুল্লাহ তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তদন্ত চলাকালে রূপসা নদী থেকে আজিজের মাথার খুলি ও হাড্ডি উদ্ধার করা হয়। মামলাটিতে ২০০০ সালের ৪ এপ্রিল লালবাগ থানার তৎকালীন এসআই মো. আব্দুর রাকিব খান সাত জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। এরা হলেন- খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, লস্কর মোহাম্মদ লিয়াকত, মো. নূরে আলম, ইদ্রিস জামাই, জয়নাল, জামাই ফারুক ও মো. রুস্তম আলী।
চার্জশিটে মাকসুদ ও আমানুল্লাহকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করা হয়।চার্জশিটভূক্ত সাত আসামির মধ্যে কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের অন্য মামলায় ২০০৪ সালের ১০ মে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অপর আসামি লস্কর মো. লিয়াকত বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

মামলাটিতে দুই আসামি জামাই ফারুক ও ইদ্রিস জামাই কারাগারে আছেন। অপর দুই আসামি জয়নাল ও রুস্তম আলী পলাতক আছেন। নূরে আলমকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে রাজসাক্ষী করে উপস্থাপন করা হয়।

চার্জশিট দাখিলের পর ২০০০ সালেই এই মামলার চার্জগঠন করা হয়। এরপর হাই কোর্টের আদেশে মামলাটি দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। স্থগিতাদেশ উঠে গেলে ২০১৭ সালে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জন এবং রাজসাক্ষী হিসেবে নূরে আলমের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com