সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০২:৩৭ অপরাহ্ন

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পৌরবাসীর প্রথম ইভিএম ভোট মিজানুর রহমান মিজান বিপুল ভোটে বিজয়ী

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৪ জুন, ২০১৯
  • ৩২৯ বার পঠিত

নুর উদ্দিন সুমন ॥ হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে উপ-নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রথম ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ মিজানুর রহমান মিজান। তিনি নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডঃ নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট। অপর প্রতিদ্বন্দ্বি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম ইসলাম তরফদার তনু মোবাইল ফোন প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মর্তুজ আলী চামচ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯০ ভোট। নির্বাচনে ৪৭ হাজার ৮২০ জন ভোটারের মধ্যে ২১ হাজার ১১৭টি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রয়োগ করায় কোন ভোট নষ্ট বা বাতিল হয়নি। সোমবার সকাল ৯টায় ২০টি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোটাররা কেন্দ্রগুলোতে জড়ো হন। কয়েকটি কেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনও তৈরী হয়। প্রখর রোদ উপেক্ষা করে ভোটাররা লাইনে দাঁড়ান। ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথম বারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহনের ফলে অনেকের মাঝে আগ্রহ তৈরী হয়েছে। নতুন এ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতেই মূলত ভোটারদের মাঝে এ আগ্রহ তৈরী হয়। এদিকে নির্বাচনকে নির্বিঘ্নে করতে ৬ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে জানান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা। তিনি বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ১০ জন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে আবার তার চেয়ে বেশিও মোতায়েন করা হয়। যেহেতু জেলার শুধু একটিমাত্র স্থানে নির্বাচন হচ্ছে তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা একটু বেশি নেয়া সম্ভব হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স ছিল। সাদা পোশাকে পুলিশ টহল দেয়। প্রতিটি কেন্দ্রে অতিরিক্ত সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন ছিল। যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন পুলিশ সুপার

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে গত বছরের ২৮ নভেম্বর পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব জি কে গউছ। এরপর উক্ত পদটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র দিলীপ দাস।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com