সোমবার, ০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। বাহুবলে ঘুষ নেয়ার অপরাধে কাজল দেবকে ১ বছরের সাজা চুনারুঘাটে নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি মূলক সভা ব্রিটিশ নির্বাচন থেকে ট্রাম্পকে দূরে থাকতে বললেন বরিস দেশে এইডস রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার স্পেন যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে প্রাণ গেলো সিলেটের তরুণের বানিয়াচঙ্গে জনাব আলী কলেজে ছাত্রী উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ভাইস প্রিন্সিপাল লাঞ্ছিত মাধবপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মসজিদের ইমামসহ ১্জন আহত চুনারুঘাটে বর্ধিত সভায় এমপি আবু জাহির ॥ দুস্কৃতিকারীরা ঘাপটি মেরে বসে আছে তাদের মোকাবেলায় সকল নেতাকর্মীকে সজাগ থাকতে হবে

ক্যান্সার চিকিৎসার সময় যেসব খাবার খাওয়া নিষেধ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৮ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক : ক্যান্সার শরীরে কোন পর্যায়ে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করতে চিকিৎসকরা রোগীর চিকিৎসা করেন। এমন অবস্থায় রোগীর জন্য অনেক ধরনের খাবার খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ক্যান্সারের রোগীরা ভেষজ পিল গ্রহণ করেন তাহলে বিষয়টি তাদের চিকিৎসককে জানানো প্রয়োজন। কারণ এসব ভেষজ পিল এর কিছু উপাদান ক্যান্সারের চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত করতে পারে। সম্প্রতি ক্যান্সার বিষয়ক এক কনফারেন্সে এ ধরনের তথ্য দেয়া হয়েছে।

স্তন ক্যান্সার যখন ছড়িয়ে যায় তখন রসুন কিংবা আদা খেলে চামড়ার ক্ষত সারতে দেরি হতে পারে। স্তন ক্যান্সার বিষয়ক পর্তুগালের শল্য চিকিৎসক অধ্যাপক মারিয়া জোয়াও কার্দোসো বলেন, ভেষজ পিল ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কার্যকরী হবার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের উচিত নিজে থেকে উদ্যোগী হয়ে রোগীদের জিজ্ঞেস করা যে ক্যান্সারের চিকিৎসার সময় তারা অন্য কিছু খাচ্ছে কিনা?

তিনি বলেন, ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য রোগীরা যদি কোন বাড়তি থেরাপি গ্রহণ করেন তাহলে বিষয়টি তাদের চিকিৎসককে জানানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যে ক্যান্সার চামড়ায় ছড়িয়েছে।

এমন অনেক পণ্য আছে যেগুলোর কারণে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হরমোন থেরাপি এবং কেমোথেরাপির উপর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া আরো কিছু পণ্য আছে যেগুলো রক্ত জমাট করতে দেরি করে।

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ মিস কার্দোসো বলেন, কিছু ভেষজ জিনিস আছে যেগুলোর কারণে রক্ত জমাট হতে দেরি হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- রসুন, জিনসেং এবং হলুদ।

কার্দোসো বলেন, রোগী এবং তাদের স্বজনরা সবসময় বিকল্প চিকিৎসার খোঁজ করেন, যেটি বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি করতে পারে। কিন্তু মানুষের জানা উচিত যে এসব বিকল্প চিকিৎসা ভালো করার চেয়ে খারাপ হতে পারে বেশি।

তিনি বলেন, ঔষধের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হচ্ছে যাতে কোন ক্ষতি না হয়। ব্রিটেনের ক্যান্সার রিসার্চ বলছে, কিছু প্রথাগত ঔষধের বাইরে কিছু পদ্ধতির কারণে মূল চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

ক্যান্সার রিসার্চ বলছে, ক্যান্সারের চিকিৎসা চলাকালীন মাল্টা এবং কমলার মতো খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ, ক্যান্সারের ঔষধ শরীরের ভেতরে যেভাবে ভেঙ্গে কাজ করে, সেটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এছাড়া কামরাঙ্গা, বাঁধাকপি এবং হলুদও এ তালিকায় রেখেছে ব্রিটেনের ক্যান্সার রিসার্চ।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ‘প্রথাগত চিকিৎসার বাইরে যে কোন ধরনের ঔষধ খাবার আগে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। বিশেষ করে আপনি যদি ক্যান্সার চিকিৎসার মাঝামাঝিতে অবস্থান করেন।’

স্তন ক্যান্সার বিষয়ক একটি দাতব্য সংস্থার ক্লিনিক্যাল নার্স বিশেষজ্ঞ গ্রিটি ব্রাউটিন-স্মিথ বলেন, প্রমান ছাড়া অনেক তথ্য ইন্টারনেটে এখন সহজলভ্য। এসব তথ্য বিশ্বাস না করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করলে রোগীরা সঠিক তথ্য পেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com