সোমবার, ০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জে সর্বত্র কেনা-কাটার ধুম ভারতীয় শাড়ি থ্রি’পিস কিরণমালা ও বজ্রমালায় সয়লাব ঈদের বাজার

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৯
  • ৩১ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আর মাত্র এক’দিন পরই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। সবাই এখন ব্যস্ত ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত। ঈদকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ জেলা সদরসহ সবকটি উপজেলার বাজারেও বেচাকেনার ধুম পড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে মাঝ রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। নিজেদের পছন্দসই জিনিস কিনতে তরুণ-তরুণীরা ছুটছেন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে। ঈদকে ঘিরে হবিগঞ্জ সদর শহর, ৮টি উপজেলা, শায়েস্তাগঞ্জ, মিরপুর, আউশকান্দি, শাহজি বাজারসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল সেজেছে বর্ণিল সাজে। লাইটিং করা হয়েছে শহরের অনেক এলাকায়। দেখে মনে হচ্ছে যেন আজই ঈদ। বাজারের কাপড়, জুতা, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন উপহারের দোকানে গিছ গিছ, পা ফেলার জায়গা নেই। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বুধবার ঘুরে দেখা যায়, পুরোদমে চলছে বেচাকেনা। শহরের তিনকোণা পুকুরপাড়, চৌধুরী বাজার, ঘাটিয়া বাজারের কাপড়ের দোকানগুলো, চুনারুঘাট নবীগঞ্জ, বাহুবল, মাধবপুর ও দাউদনগর বাজারে লোকজনদের উপচেপড়া ভিড়। বিক্রেতারা জানান, ১৫ রমজানের পর থেকেই সাধারণত শুরু হয়েছিল কেনাবেচার ধুম। শেষ মুহূর্তে বিক্রিবাট্টা আরও বেড়েছে। তবে অনেক ক্রেতারা জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদে কাপড়ের দাম বেশি হওয়ায় নিম্ন আয়ের ক্রেতারা কাপড় কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। সরেজমিনে চৌধুরী বাজার, ঘাটিয়া বাজার, এসডি প্লাাজা, পরশমনি, শংকর সিটি, এসডি ক্লথ স্টোর, আলনুর সিটি, মধুমিতা ক্লথ স্টোর, এমজি প্লাজা ও চুনারুঘাটের অভি ফ্যাশন, নিরঞ্জন বস্ত্রালয়, জনতা বস্ত্রালয়, পলাশ বস্ত্রালয়, আশরাফ বন্ত্রবিতানসহ বিভিন্ন দোকান ঘুরে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে অধিকাংশ ক্রেতাই সাধ এবং সাধ্যের বাইরে থাকায় দরদাম করেই চলে যাচ্ছেন। ভারতীয় সিরিয়ালের নায়িকাদের নামের পোশাকের চাহিদা বেশি। প্রতিবারের মতো এবারও ভারতীয় সিরিয়ালের নামের থ্রি-পিস আর কাপড়ের চাহিদা তরুণীদের কাছে বেশি। এ চাহিদা মিটাতে বাজারে এসেছে নজরকাড়া ডিজাইনের থ্রি-পিস। আলাপকালে কয়েকজন ক্রেতা দ্য রিপোর্টকে জানান, এবারও অন্যান্য বছরের মতো ভারতীয় সিরিয়ালের নামের পোশাক ‘কিরণমালা’, ‘পাখি’, ‘জলনূপুর’, ‘কটকটি’, ‘রাশি’, ‘মুতিমালা’, ফ্লোর টাচ, জুট কাতানই বেশি জনপ্রিয়। দামের দিক থেকে দেখা যায়, ‘কিরণমালা’ জামা ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা, ‘কটকটি’ ১ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা, ‘পায়েল’ দেড় থেকে ৬ হাজার টাকা, ফ্লোর টাচ ২ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছেলেদের ভাল মানের পাঞ্জাবি ১ থেকে ১০ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়া জুতার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। ঈদকে সামনে রেখে গহনা আর প্রসাধনির দোকানে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। গহনার দোকানে গিয়ে কেউ নিজের জন্য, আবার কেউ উপহার দেওয়ার জন্য গহনা কিনছেন। নতুন ডিজাইনের পুঁতি, কড়ি, শেল, সুতা, কাঠ ও পিতলের তৈরি গহনার প্রতিই তরুণীরা বেশি আগ্রহী। এর পরই পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং গহনা কিনতে ভিড় জমান নারীরা। প্রসাধনীর দোকানেও ভিড় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 Prothomsheba
Theme Developed BY ThemesBazar.Com